খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস-
আপনি কি খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস সম্পর্কে জানতে চান? তাহলে আজকের এই
পোস্টটি আপনার জন্য, খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস নিয়ে অনেকের মনে প্রশ্ন
থাকে। আজকের এই পোষ্টের পড়ার মাধ্যমে সকল তথ্য জানতে পারবেন।
খেজুর ও শসা খেলে আমাদের শরীরে অনেক রকমের উপকার পাওয়া যায়।
এটি রাসুল সাঃ
খেজুর ও শসা একই সঙ্গে খেতেন। এবং তিনি সকলকে খাওয়ার উপদেশ দিয়েছেন। চলুন খেজুর
ও শসার হাতের সম্পর্কে বিস্তারিত জানি।
পোস্ট সূচিপত্রঃখেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস-
- খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস
-
খেজুর ও শসার স্বাস্থ্য উপকারিতা
-
খেজুর ও শসা একসাথে খাওয়া জায়েজ
-
খেজুর ও শসা খাওয়ার দলিল
-
সুন্নাহ খাবার খেজুর
-
সুন্নাহ খাবার শসা
-
গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর ও শসা খাওয়ার উপকারিতা
-
কোন খেজুরটি সবচেয়ে উপকারী
-
শারীরিক দুর্বলতায় খেজুর ও শসার ভূমিকা
- শেষ কথাঃ খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস
খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস
খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিসটি সত্য এবং এটি বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত এটি আমাদের
শরীরের জন্য অনেক উপকারী খাবার। শসা ও খেজুর একসঙ্গে খেলে উপকার পাওয়া যায়
কারণ, শসা ঠান্ডা প্রকৃতির এবং রসালো একটি ফল। আবার এদিকে খেজুর শুকনা প্রকৃতির
খাবার। শসা ও খেজুর দুটোই আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী খাবার। তবে দুটি একসাথে
খেলে আমাদের শরীরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য তাই অবশ্যই সঠিক নিয়ম শসা
ও খেজুর খাওয়া উচিত।
শসা ও খেজুর খাওয়ার কথা এটি রাসূল (সাঃ) এর হাদিস থেকে প্রমাণিত একটি সুন্নাহ।
এটি সহিহ বুখারি হাদিস,৫৪৪০
এবংসহিহ মুসলিম হাদিস,২০৪৩
এগুলো থেকে প্রমাণিত শসা ও খেজুর খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। হাদিসের বর্ণনা
অনুযায়ী বলা হয়েছে। "হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে জাফর রাঃ বলেন-আমি রাসূল সাঃ কে
শসার সাথে সতেজ খেজু রোতাপ(রুতাব) খেতে দেখেছি"। খেজুর ও
শসা একসঙ্গে খেলে শরীরে অনেক উপকার পাওয়া যায়। তাই রাসূল সাঃ এই দুটি
খাবার একসঙ্গে গ্রহণ করতেন।
খেজুর ও শসার স্বাস্থ্য উপকারিতা
খেজুর ও শসা একই সঙ্গে খেলে শরীরের অনেক উপকারিতা পাওয়া যায়। এটি
হাদিস থেকে
প্রমাণিত এবং বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণ পাওয়া গেছে। আধুনিক পুষ্টিবিজ্ঞান এর মতে
খেজুর এবং শসা এই দুটি খাবার একই সাথে খেলে শরীরে বিশেষ কিছু উপকার পাওয়া
যায়। খেজুর ও শসা একই সাথে খেলে শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। তাই
আমাদের সকলেরই নিয়মিত শসা ও খেজুর খাওয়া উচিত।
শসা ও খেজুরের প্রচুর উপকারিতা রয়েছে যেমন এই দুটি খাবার একই সাথে খেলে শরীরের
শক্তি ও কর্ম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। দুর্বলতা
দূর করে এবং শরীরে ক্লান্তি ভাব দূর হয়। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য
করে। জীব যন্ত্রের জন্য উপকারী এছাড়াও ত্বক ও চুলের জন্য বেশ কার্যকর
একটি খাবার। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি গ্লুকোজ যা আমাদের শরীরে
শক্তি যোগায়। এছাড়াও শসা আমাদের শরীরের পানি শূন্যতা দূর করতে সাহায্য
করে।
খেজুর ও শসা একসাথে খাওয়া জায়েজ
অনেকেই প্রশ্ন করেন যে খেজুর ও শসা একসাথে খাওয়া জায়েজ কি? তাহলে আমি
বলব অবশ্যই জায়েজ এটি সহিহ হাদিস ও সহিহ মুসলিম হাদিস উভয় থেকে
স্পষ্টভাবে প্রমাণিত হয়েছে যে রাসূল সাঃ নিজে খেজুর ও শসা একই সঙ্গে
খেতেন। খেজুর ও শসা খাওয়া জায়েজ এবং সুন্নাহ। খেজুর ও শসা দুটি খাবারি
হালাল খাবার। ইসলামে অনেক আলেমগণ বলেছেন খেজুর ও শসা দুটি একসাথে খেলে
শরীরের ভারসাম্য রক্ষা হয়।এ কারণে রাসূল সাঃ এই দুটি খাবার একসাথে খেতে
বলেছেন।
স্বাস্থ্যগত হিকমা অনুযায়ী বলা যায় ইসলামের সকল বিধি-বিধান মানব
জীবনের জন্য কল্যাণকর। এই দুটি খাবার পুষ্টিবিজ্ঞান দ্বারা ও প্রমাণিত
হওয়ার কারণে নিশ্চিত ভাবে বলা যায় সুন্নাহ অনুযায়ী আমাদের সকলেরই আমল করা
উচিত। নিয়মিত পরিমান মত খেলে ব অনেক সোয়াব ও বরকত পাওয়া যাবে।অনেকেই
ভুল ধারণা নিয়ে শসা ও খেজুর একই সাথে গ্রহণ করে না। তাহলে আজকের এই পোস্টটি
পড়ে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন এটি খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী।
খেজুর ও শসা খাওয়ার দলিল
খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস অনুযায়ী এটি সুন্নাহ এবং জায়েজ। খেজুর ও শশা একসাথে
খাওয়ার ইসলামিক ভাবে হাদিসের দলিল অনুযায়ী বলা হয়েছে হযরত আব্দুল্লাহ
ইবনে জাফর রাঃ থেকে বর্ণিত -
সহিহ বুখারি হাদিস,৫৪৪০
এবংসহিহ মুসলিম হাদিস,২০৪৩
এই হাদিসে বর্ণিত হয়েছে যে রাসুল সাঃ কে শসার সাথে তাজা খেজুর খেতে দেখেছি।
ইসলামের স্বাস্থ্যগত হিকমাহ
-
শরীরে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে
- শরীর সুস্থ থাকে
- শরীরে ক্লান্তি ও দুর্বলতা কমে
-
শরীরের তাপমাত্রার ভারসাম্য বজায় থাকে
নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন শসা ও খেজুর খাওয়ার দলিল কতটা সত্য। আপনারা যদি নিয়মিত
পরিণত পরিমাণে শসা ও খেজুর খাওয়ার অভ্যাস করেন তাহলে আপনাদের শরীর সুস্থ
থাকবে।
সুন্নাহ খাবার খেজুর
খেজুর আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী একটি খাবার। খেজুরের মধ্যে রয়েছে অনেক
পুষ্টিগুণ। যা আমাদের শরীরকে শক্তিশালী করে তোলেন। হজম শক্তি বাড়াতে
সাহায্য করে। ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে। খেজুরে থাকা প্রাকৃতিক চিনি,
গ্লুকোজ, ফ্রুপটোজ যা আমাদের শরীরে ক্লান্তি দূর করতে সাহায্য করে এবং শরীরে কর্ম
ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়। খেজুরে রয়েছে পটাশিয়াম যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
করতে সাহায্য করে এবং হার্টের ঝুঁকি কমায়।
খেজুরে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে যা আমাদের শরীরে রোগ
প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। পরিমিত খেজুর খেলে আমাদের দাঁত ও
আর সুস্থ থাকে। কারণ খেজুর রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম ফসফরাস। খেজুর আমাদের এই
সফল উপাদান ছাড়া ও মন ও মস্তিষ্কের জন্য অনেক উপকারে কারণ খেজুরে রয়েছে ভিটামিন
বি কমপ্লেক্স যা মন ভালো রাখতে সাহায্য করে এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি করে। খেজুর
আমাদের চুলের যত্নেও অনেক উপকারী। দিনে চার থেকে পাঁচটি খাওয়া উচিত।
তবে মনে রাখবেন ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সীমিত পরিমাণ খাওয়া উচিত।
সুন্নাহ খাবার শসা
খেজুর যেমন একটি সুন্নাহ খাবার ঠিক তেমনি শসা ও আমাদের জন্য একটি সোনা খাবার।
রাসুল সাঃ এর আমলে তিনি নিয়মিত শসা খেত। শসা আমাদের শরীরকে সুস্থ
রাখতে সাহায্য করে। শসার রয়েছে বিভিন্ন ধরনের উপকারিতা যেমন সঠিক পরিমাণে
শসা খেলে আমাদের শরীরে হজমে সাহায্য করে। শসায় রয়েছে
ফাইবার তাই শরীর ঠান্ডা রাখে গরম হাওয়ায় শসা খেলে শরীর
সতেজ রাখতে সাহায্য করে। শসা আমাদের ত্বক ওজনের জন্য অনেক উপকারী
একটি খাবার।
শসা কম ক্যালরি যুক্ত খাবার হওয়ার কারণে শসা আমাদের শরীরে ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখতে
সাহায্য করে। পেটের অতিরিক্ত চর্বি দূর করতে সাহায্য করে শসা। শসা খাওয়ার কিছু
নিয়ম রয়েছে এবং কিছু সতর্কতা রয়েছে যেগুলো মানলে শসা খেয়ে আপনার শরীর সুস্থ
রাখতে পারেন। শসা দুধ অথবা খেজুরের সঙ্গে খেতে পারেন এতে ভালো উপকার পাওয়া
যায়।
তাছাড়া আপনি কাঁচা শসা ও খেতে পারেন তবে অতিরিক্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত নয়। শসা
খুব ঠান্ডা অবস্থায় খাওয়া উচিত নয়। এছাড়াও অ্যালার্জি বা পেটের সমস্যা থাকলে
এড়িয়ে চলুন।
গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর ও শসা খাওয়ার উপকারিতা
এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা খেজুর ও শসা খাওয়ার উপকারিতা সম্পর্কে জানলাম। তবে এখন অনেক
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর ও শসা খাওয়ার উপকারিতা নিয়ে
আলোচনা করব। গর্ভাবস্থায় গর্ভবতী নারীকে সুস্থ রাখার জন্য পুষ্টিকর খাবার
খাওয়ানো প্রয়োজন কারণ গর্ভবতী মা সুস্থ থাকলে বাচ্চা ও সুস্থ থাকে। তাই
বলা যায় খেজুর ও শসা দুটি একই সাথে পুষ্টিকর খাবার হওয়ার কারণে গর্ভাবস্থায়
নারীদের খাওয়া প্রয়োজন।
কারণ এই সময় গর্ভবতী নারীর প্রচুর ক্যালরি যুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন আর
খেজুর ও শসা একসাথে খেলে শরীরে ক্যালরির অভাব পূরণ হয়। এবং
শরীরে রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ করে। ফলে গর্ভবতী নারী সুস্থ থাকে।
গর্ভাবস্থায় শসা ও খেজুর খেলে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে।
শরীরে বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তবে পরিমাণ মতো খাওয়া উচিত।
তাহলে গর্ভবতী নারীদের জন্য খেজুর ও শসা কতটা জরুরি নিশ্চয়ই বুঝতে
পারছেন।
কোন খেজুরটি সবচেয়ে উপকারী
আমরা অনেকেই জানি না কোন খেজুরটি সবচেয়ে উপকারী। তবে আজকের এই পোষ্টের
মাধ্যমে আপনাদের খেজুর সম্পর্কে সকল তথ্য জানা হয়ে যাবে। আমাদের সারা
বিশ্বের অনেক রকম খেজুর রয়েছে যার মধ্যে সবচেয়ে উপকারী খেজুর হলো আজওয়া
খেজুর।
এই খেজুর খেলে আমাদের শরীরে অনেক উপকার পাওয়া যায়। চলুন জেনে নেই কি কি সেই
উপকার গুলো-আজওয়া খেজুরের জাদু বিষের প্রতিক্রিয়া থেকে রক্ষা করতে সাহায্য
করে।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে হৃৎপিণ্ড ও স্নায়ুর জন্য অনেক উপকারী। এই খেজুরে
প্রচুর এন্টিঅক্সিডেন্ট ও আয়রন রয়েছে। যা আমাদের শরীরের জন্য অনেক
উপকারী। অন্যান্য খেজুরের মধ্যে ও উপকারিতা রয়েছে তবে আজোয়া খেজুরের মধ্যে
সবচেয়ে বেশি উপকার পাওয়া যায়। তাই আপনি চাইলেই খেজুরের মধ্যে আজওয়া
খেজুর নিয়ে শসার সাথে খেতে পারেন। এতে আপনি অনেক উপকার পাবেন। নিশ্চয়ই
বুঝতে পারছেন কোন খেজুরটি সবচেয়ে উপকারী।
শারীরিক দুর্বলতায় খেজুর ও শসার ভূমিকা
শারীরিক দুর্বলতার জন্য খেজুর ও শসার অনেক উপকার পাওয়া যায়। কারণ খেজুরে রয়েছে
অনেক পুষ্টিগুণ যা আমাদের শরীরকে শক্তিশালী ও কর্মকম করে তোলে। খেজুরে রয়েছে
প্রাকৃতিক চিনি, গ্লুকোজ এবং ফ্রকটোজ যা আমাদের শরীরে দুর্বলতা কমায়। এটি
বৈজ্ঞানিকভাবেও প্রমাণিত হয়েছে যে খেজুর ওশসা খেলে দুর্বলতা দূর হয়। খেজুর
এবং শসা দুটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।
তবে খেজুর ও শসা দুটি খাবার একসঙ্গে খেলে এই পুষ্টিগুণ আরো বেড়ে যায়
এবং শরীরের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। যদি আপনি এই দুটি খাবার নিয়মিত
পরিণত পরিমাণে খান তাহলে আপনার শরীরের দুর্বলতা দূর হবে এবং শরীর সুস্থ থাকবে।
তাহলে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন শারীরিক দুর্বলতার জন্য খেজুর ও শসার ভূমিকা কতটা
গুরুত্বপূর্ণ। আপনি যদি শারীরিক দুর্বলতার সমস্যায় থাকেন তাহলে নিয়মিত
খেজুর ও শসা খেতে পারেন।
শেষ কথাঃ খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস
আজকের এই পোস্টটিতে আমরা খেজুর ও শসা খাওয়ার হাদিস সম্পর্কে সম্পূর্ণ তথ্য
জানলাম। খেজুর ও শসা আমাদের শরীরের জন্য কতটা উপকারী তা করে আলোচনা করা
হয়েছে। খেজুর ও শসা দুটি খাবারেই সুন্নাহ এবং এটি হাদিস দ্বারা প্রমাণিত একটি
খাবার। খেজুর উষ্ণ প্রকৃতির খাবার এবং শসা শীতল প্রকৃতির খাবার। আর এই দুটি
খাবার একই সাথে গ্রহণ করলেন আমাদের শরীরে ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
তবে গর্ভবতী মায়েদের জন্য এই আজওয়া খেজুর ও শসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি
খাবার। গর্ভবতী মায়ের জন্য এক দিনে যে পরিমাণ ক্যালরি গ্রহণ করা প্রয়োজন
এবং পুষ্টি প্রয়োজন
তার প্রায় সকল কিছুই এই খাবারগুলোতে রয়েছে। তাই গর্ভবতী মায়ের জন্য
নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খাওয়া খুবই জরুরী। এবং এটি হাদিস থেকে
প্রমাণিত রাসূল সাঃ তিনি নিজে এই খাবার গ্রহণ করতেন। এবং তিনি যেটা পছন্দ
করতেন সেগুলো আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী খাবার। তো আজকের এই পোস্টটি ভালো
লাগলে কমেন্ট করে জানিয়ে দিয়েন।

আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url