শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব-

আপনি কি একজন শিক্ষার্থী? যদি শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন, তাহলে আজকের এই পোস্টটি আপনার জন্য জানাটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি ডিজিটাল দেশ গড়ে তুলতে হলে অবশ্যই শিক্ষাক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির গুরুত্ব সম্পর্কে জানা প্রয়োজন।

শিক্ষা-ক্ষেত্রে-তথ্য-ও-যোগাযোগ-প্রযুক্তির-গুরুত্ব-


আজকের এই পোস্টটিতে আমরা আপনাদের শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তির কতটা গুরুত্ব তা বিস্তারিত জানাবো। তো চলুন, দেরি না করে বিস্তারিত তথ্য গুলো জেনে নেই ।

পোস্ট সূচীপত্রঃ শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

বর্তমানে সারা বিশ্ব এখন প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে গেছে। বর্তমানে প্রায় সকল বিষয়ে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার এর গুরুত্ব মানব জীবনের আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার অতুলনীয় কার্যকর ভূমিকা রাখছে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে শিক্ষাব্যবস্থা অনেক উন্নত এবং সহজ হওয়ার কারণে তথ্যপ্রযুক্তির হয়েছে আরো অনেক বেশি গতিশীল। আপনি কি জানেন তথ্যপ্রযুক্তি কি?

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বলতে বোঝায় সাধারণত আমরা যে মোবাইল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ
এছাড়াও প্রযুক্তিনির্ভর যে সকল যন্ত্রগুলো ব্যবহার করি ইন্টারনেট ব্যবহার করি এবং এগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের তথ্য আদান-প্রদান করে উপকার পেয়ে থাকি সেগুলোই মূলত তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি। আজ আমরা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে অনলাইনে শিক্ষা ব্যবস্থা থেকে শুরু করে শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সকল বিষয় আজকের এই পোস্টটিতে সকল তথ্য জানতে পারবেন। চলুন জেনে নিই সেই বিষয়গুলো।

অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থা

বর্তমানে সারা বিশ্ব এখন প্রযুক্তি নির্ভর হওয়ার কারণে প্রায় সকল দেশেই ডিজিটাল দেশ বলা যায়। বর্তমানে ঘরে বসে অনলাইনের মাধ্যমে ভালোভাবে শিক্ষা অর্জন করা যায়। অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করা যায় শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী ভিডিও ক্লাস করে, লাইভ ক্লাস,  রেকর্ড ক্লাস, এরকম বিভিন্নভাবে ক্লাস করার মাধ্যমে অনলাইনে শিক্ষা অর্জন করা যায় এছাড়াও আরো অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায়।

অনলাইনে শিক্ষাব্যবস্থা সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা লাভ করে কোভিড-১৯ কারণে। কারণ তখন
সারা বিশ্বে স্কুল-কলেজ বন্ধ থাকার কারণে ঘরে বসে পড়াশোনা করার সুযোগ হয়ে ওঠে এবং এর একমাত্র উপায় ছিল অনলাইনের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন। অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণ করার মাধ্যমে আমরা বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পায় যেমন-ঘরে বসে সময়ের স্বাধীনতার সাথে খরচ সাশ্রয় করে পরীক্ষা অর্জন করা সম্ভব। তাহলে বুঝতে পারছেন অনলাইনে শিক্ষা ব্যবস্থা বই, যাতায়া খরচ, এবং সময় অপচয় রোধ করা যায়।

অনলাইন লাইব্রেরি

বর্তমান বিশ্ব আধুনিক বিশ্ব বলার কারণ হলো অনলাইন লাইব্রেরী আসার আগে মানুষজনকে
লাইব্রেরী গিয়ে বই পড়তে হতো। তবে এখন অনলাইন লাইব্রেরী সুবিধা হয়ে ঘরে বসেই অনেক সহজেই পছন্দমত বই পড়া যায় এবং শুধুমাত্র মোবাইল বা কম্পিউটার এবং ইন্টারনেট ব্যবহার করে বিভিন্ন ধরনের বই পড়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। তাই বর্তমান বিশ্বে অনলাইন লাইব্রেরী ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে এটি আমাদের সকলের জন্য অনেক সুবিধা জনক একটি বিষয়।অনলাইন লাইব্রেরী বিভিন্ন ধরনের সুবিধা পাওয়া যায় যেমন ঘরে বসে যে কোন সময় আপনার

পছন্দের বই পড়তে পারেন এছাড়াও অনেক কম খরচে অনেকগুলো বই পাওয়া যায় এবং সেগুলো খোঁজার প্রয়োজন হয় না শুধুমাত্র সার্চ করলেই অনেক সহজেই অনলাইন লাইব্রেরী আপনার প্রয়োজনীয় বইটি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে এর কিছু অসুবিধা রয়েছে যেমন অতিরিক্ত পরিমাণ অনলাইনে লাইব্রেরী বই পড়লে চোখে সমস্যা ও মস্তিষ্কের সমস্যা হতে পারে। আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার না করে কোনভাবেই অনলাইন লাইব্রেরী ব্যবহার করতে পারবেন না সে ক্ষেত্রে আপনি বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন।

ভার্চুয়াল ক্লাসরুম

ক্লাসরুমে বিশেষ কিছু সুবিধা রয়েছে যার কারণে বর্তমান বিশ্বে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম একটি আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ে এসেছে। ভার্চুয়াল ক্লাসরুম হলো সাধারণত একজন শিক্ষক ও তার শিক্ষার্থী শুধুমাত্র মোবাইল ফোন বা কম্পিউটার ব্যবহার করে ইন্টারনেটের মাধ্যমে খুব সহজেই ক্লাস করতে পারে। এতে সুবিধা হল শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীকে কোন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বা তাদের সকলকে সশরীরে এক জায়গায় হওয়ার প্রয়োজন পড়ে না অনলাইনের মাধ্যমেই ক্লাস করা সম্ভব।

ভার্চুয়াল ক্লাসরুম আমাদের সকল শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীদের জীবনের একটি বিশেষ ভূমিকা পালন করে কারণ বিভিন্ন ধরনের সমস্যার কারণে অনেক সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গিয়ে শিক্ষা অর্জন করা সম্ভব হয় না সে ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল ক্লাসরুম এর মাধ্যমে আপনি সকল অবস্থাতেই ঘরে বসে ক্লাস করতে পারবেন তা এতে বলা যায় এটি একটি দূরশিক্ষার ক্ষেত্রে অনেক সুবিধা পাওয়া যায়। তাহলে বুঝতে পারছেন ভার্চুয়াল ক্লাসরুম শিক্ষা জীবনে কতটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করে মানুষ অনেক উপকৃত হচ্ছে। ইন্টারনেট ব্যবহার করে একই স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ছে না ঘরে বসেই উন্নতমানের শিক্ষকের কাছে থেকে ভালোভাবে শিক্ষা গ্রহণ করা সম্ভব হচ্ছে। ইন্টারনেট এমন একটি বিশেষ প্রযুক্তি যা ব্যবহার করে মানুষ এক দেশের খবর অন্য দেশে যেমন জানতে পারছে। ঠিক তেমন শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও  সহজ ভাবে জ্ঞান অর্জন করতে পারছে।

শিক্ষা ক্ষেত্রে প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইন্টারনেট ব্যবহার করে ভার্চুয়াল ক্লাস করা যায় অনলাইনে লাইব্রেরী পাওয়া যায় খুব সহজে। বিভিন্ন ধরনের তথ্য সংগ্রহ করা যায়। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর সহজে যোগাযোগ করা যায়। অনলাইনের মাধ্যমে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা যায় এবং অনেক দ্রুত সময় ক্ষার ফলাফল জানতে পারা যায়। এতে সময় সাশ্রয় হয় এবং অনেক কম খরচেই শিক্ষা অর্জন করা যায়। তাই বলা যায় বর্তমানে শিক্ষায় ইন্টারনেটের ব্যবহার একটি অপরিহার্য অংশ।

শিক্ষায় প্রযুক্তির সুবিধা

বর্তমানে আধুনিক বিশ্বে আমাদের মানব জীবনের সকলের প্রতিটি ক্ষেত্রকে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা প্রযুক্তির ব্যবহার। এটি শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিরব্যাপক ভূমিকা পালন করে। মানব জীবনে তথ্য ও প্রযুক্তির ব্যবহার করে প্রায় সকল ধরনের কাজ সহজ ভাবে করা সম্ভব হচ্ছে।
শিক্ষা ক্ষেত্রে মানব জীবনের প্রযুক্তির বিভিন্ন ধরনের প্রয়োজনীয়তা মেটানো যায় যেমন অনেক সহজ উপায়ে জ্ঞান অর্জন করা যায়। অনলাইনের মাধ্যমে ক্লাস করা যায়। কোন ক্লাস বুঝতে না পারলে রেকর্ড ক্লাস দেখার মাধ্যমে অনেক সহজে বোঝা যায়।

এতে শিক্ষার্থীর শেখার আগ্রহ আরো অনেক বেশি বেড়ে যায় এবং শিক্ষকের শেখানোর চাহিদা বারে ফলে শিক্ষার্থীর কম খরচে অনেক ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এতে শিক্ষার মান আরো অনেক বেশি উন্নয়ন হয়। শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর যোগাযোগ করা অনেক সহজ হয়ে যায়। লাইনের মাধ্যমে শিক্ষা অর্জন করে ভবিষ্যতে প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক কর্মক্ষেত্র দক্ষ করা সম্ভব হয়। শিক্ষা ক্ষেত্রে সঠিকভাবে প্রযুক্তি ব্যবহার করলে অনেক ভালো ভাবে জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হবে।

শিক্ষাই কম্পিউটার ব্যবহার

বর্তমান ডিজিটাল যুগে শিক্ষা ব্যবস্থা কম্পিউটারের ব্যাপক ব্যবহার করা হয়। কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে বিভিন্নভাবে শিক্ষা অর্জন করা যায়। কম্পিউটার মানব জীবনের শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরো উন্নত করে তুলেছে। কম্পিউটার ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক সহজেই ডিজিটাল ভাবে ক্লাস করা যায় তথ্য অনুসন্ধান করা এবং গবেষণা করা যায় অনলাইনে লাইব্রেরী ব্যবহার করা যায়। এছাড়াও আরো অনেক সুবিধা রয়েছে যেমন বিভিন্ন প্রজেক্ট তৈরি করার জন্য সফটওয়্যার ব্যবহার করে খুব সহজেই কাজ করা যায়।

শিক্ষা ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহার করে অনেক সহজেই বিভিন্ন তথ্য জানা যায় ভালোভাবে জ্ঞান অর্জন করা যায়। এতে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থী বোঝানো এবং বোঝার জন্য আগ্রহী হয়ে ওঠে। তবে অতিরিক্ত পরিমাণ কম্পিউটার ব্যবহার করা উচিত নয় কারণ এটি আমাদের বিভিন্ন ধরনের সমস্যা তৈরি করতে পারে। বিশেষ করে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও সকল শিক্ষার্থীর জন্য কম্পিউটার ব্যবহার করা সম্ভব নয়। তবে শিক্ষা ক্ষেত্রে কম্পিউটার মানব জীবনে অনেক বড় গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় বলা যায়।

ই-পরীক্ষা পদ্ধতি

ই -পরীক্ষা পদ্ধতি বলতে বোঝায় ইলেকট্রনিক পরীক্ষা পদ্ধতি। ই -পরীক্ষা পদ্ধতি অনেক ভালো একটি পদ্ধতি। কারণ এটি অনেক সময় সাশ্রয় হয় এবং অফলাইন পরীক্ষা পদ্ধতি তুলনায় এই পরীক্ষা পদ্ধতির খরচ অনেক কম হয়। এছাড়াও পরীক্ষার দেওয়ার পর অনেক দ্রুত সময়ে ফলাফল জানতে পারা যায়। নির্মূল ভাবে পরীক্ষার লেখা মূল্যায়ন করা যায়। এতে অনেক পরিমাণ কাগজ অপচয় রোধ হয় এতে পরিবেশের জন্য অনেক ভালো ফলাফল পাওয়া যায়।

তবে ই -পরীক্ষার বেশ কিছু অসুবিধা রয়েছে সেগুলো হলো প্রথমত প্রযুক্তিগত সমস্যা কারণ এটি বিদ্যুৎ না থাকলে ব্যবহার করা সম্ভব নয় এবং ইন্টারনেট ছাড়া কোনভাবেই ই -পরীক্ষা পদ্ধতি হতে পারেনা। এছাড়াও সকল শিক্ষক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভালো ভাবে শিক্ষার্থীদের বোঝাতে না পারার কারণে সমান দক্ষ হতে পারে না। বর্তমানে বাংলাদেশে আস্তে আস্তে ই- পরীক্ষা পদ্ধতি বা ইলেকট্রনিক পরীক্ষা পদ্ধতি চালু হচ্ছে। সঠিকভাবে ই- পরিক্ষা পদ্ধতি ব্যবহার করলে শিক্ষা ক্ষেত্রে এটি অনেক উপকার পাওয়া যাবে।

মাল্টিমিডিয়া শিক্ষা

বর্তমানে উন্নতমানের শিক্ষা ব্যবস্থায় মাল্টিমিডিয়ার শিক্ষা এক গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম বলা যায়। কারণ মাল্টিমিডিয়া শিক্ষা বলতে ভিডিও ক্লাস, রেকর্ড ক্লাস, লাইভ ক্লাস করার মাধ্যমে খুব সহজেই জ্ঞান অর্জন করা যায়। ফলে কোন শিক্ষার্থী যদি পড়ার কোন অংশ বুঝতে না পারে তাহলে রেকর্ড ক্লাস এর মাধ্যমে খুব সহজে বুঝে ফেলতে পারেন। এতে শিক্ষার্থী পড়ার অংশগুলো দীর্ঘদিন পর্যন্ত মনে রাখতে পারে। আবার অনেক বিষয় রয়েছে যেগুলো বই পড়ে অথবা লেখার মাধ্যমে বোঝা সম্ভব নয়।

সে ক্ষেত্রে অনলাইনে ভিডিও ক্লাসে বিভিন্ন লাইট ব্যবহার করার মাধ্যমে খুব সহজে সেই অংশগুলো শিক্ষার্থীর দের বোঝানো সম্ভব হয়। এছাড়াও মাল্টিমিডিয়ার শিক্ষার মাধ্যমে অনেক কঠিন বিষয় অনেক সহজেই জানা সম্ভব হয় ফলে সহজ ভাবে উপস্থাপন করা যায়।
এতে শিক্ষার্থীর পড়াশোনার আগ্রহ আরো অনেক বেশি বেড়ে যায়। এছাড়াও যারা শারীরিক প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থী রয়েছে তাদেরকেও মাল্টিমিডিয়া শিক্ষার মাধ্যমে অনেক সহজেই ক্লাস নেওয়া সম্ভব হয়।

শেষ কথাঃ শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি

এতক্ষণ পর্যন্ত আমরা শিক্ষা ক্ষেত্রে তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পর্কে সকল তথ্য জানলাম। আপনি যদি একজন শিক্ষার্থী হয়ে থাকেন তাহলে আজকের এই পোষ্টটি আপনার জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হবে। আজকের এই পোস্টে আমরা শিক্ষা ক্ষেত্রে আইসিটির ব্যবহার সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেছি। আপনি যদি বর্তমান যুগের সাথে তাল মিলিয়ে পড়াশোনা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে আজকের এই পোষ্টের সকল বিষয় খুব ভালোভাবেই পড়তে হবে।

কারণ আজকের এই পোস্টটি ভালোভাবে পড়লে আপনি বর্তমানে অনলাইনে কিভাবে শিক্ষা অর্জন করা যায় তা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন। তবে একটা বিষয় অবশ্যই আপনাকে মনে রাখতে হবে তা হলো মোবাইল বা কম্পিউটার অতিরিক্ত ব্যবহারের ফলে আমাদের মস্তিষ্কে ক্ষতি করতে পারে এবং চোখের সমস্যা হতে পারে। তাই পড়াশোনার জন্য যখন ল্যাপটপ বা কম্পিউটার ব্যবহার করার প্রয়োজন শুধুমাত্র তখন ব্যবহার করা উচিত। তাহলে বুঝতেই পারছেন কিভাবে শিক্ষার জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করা উচিত।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আমাদের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url